এ পর্যন্ত ৫২ জনের নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক : এ পর্যন্ত সারাদেশ থেকে ৫২ জনের নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা এসেছে। বর্জনের তালিকায় জামায়াত ২৬, বিএনপি ২২, বিকল্পধারা ১, জাতীয় পার্টি ১ এবং স্বতন্ত্র ২ প্রার্থী রয়েছেন।
ভোট শুরুর আগেই সাতক্ষীরা-৪ আসনের বিকল্পধারার কুলা প্রতীকের প্রার্থী এইচ এম গোলাম রেজা নির্বাচন বর্জন করেন। সকাল ৮টা ৫১ মিনিটে এই প্রতিবেদকের নিকট প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “আমার নির্বাচনী এলাকার জনগণের জীবনের নিরাপত্তা আগে। পরে নির্বাচন। আমার নির্বাচনী এলাকার ১৩৯টি কেন্দ্রে প্রশাসনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় রাতে ব্যালটে নৌকা প্রতীকে সিল মেরে বাক্স ভরা হয়েছে। আমার কর্মীরা প্রতিবাদ করেও তা রোধ করতে পারেনি। আমার নিশ্চিত বিজয় রাতেই ডাকাতি করা হয়েছে। সকালে কোন কেন্দ্রের পোলিং অফিসার ব্যালট বই এবং বাক্সের হিসাব দিতে পারছেনা। আমার এজেন্টদের কেন্দ্রে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না। মামলা এবং গ্রেফতারের ভয় দেখানো হচ্ছে। এমতাবস্থায় আমার কর্মী সমর্থকদের জীবনের নিরাপত্তা বিবেচনায় আমি নির্বাচন ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছি।
ভোট কেন্দ্র দখল, এজেন্ট বের করে দেওয়াসহ সহিংসতার নানা অভিযোগ তুলে ধানের শীষ প্রতীকের ৪৪ প্রার্থী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।
একতরফাভাবে নির্বাচন হচ্ছে অভিযোগ করে ভোট বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান জানান, তাদের দলের ২৬ জন প্রার্থীর সবায় নির্বাচন বর্জণ করেছেন। এসব প্রর্থীর ২২ জন ধানের শীষ এবং ৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্ধিতায় মাঠে ছিলেন।
ঢাকা -১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোটরগাড়ী প্রতীকের অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। রোববার সকাল আটটায় ভোটগ্রহণ শুরুর পর দুপুর ১২টায় নবাবগঞ্জ উপজেলার কামারখোলার নিজ বাসভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে এ ঘোষণা দেন।
বগুড়া-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল ইসলাম আলম ওরফে হিরো আলম। সকাল থেকেই নিজের নির্বাচনী এলাকা কাহালু ও নন্দীগ্রামের কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করেন তিনি। তবে পরবর্তীতে দুর্বৃত্তদের অতর্কিত হামলায় ক্ষিপ্ত হয়ে ভোট বর্জন করেন তিনি।