ডিভোর্সের আগে নারী নির্যাতনের মামলা কোথায় ছিল?’ : সালমা

নিজস্ব বিনোদন প্রতিবেদক : কণ্ঠশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমা বলেন ‘আমার স্বামী ও আমাকে হয়রানি করতেই এই সাজানো মামলা। একজন মানুষ লন্ডন থেকে কীভাব নারী নির্যাতন করতে পারে! আইনিভাবেই এর মোকাবিলা করবো আমরা’ ওই নারী নিজে সংসারে সুখী হতে পারেননি। এখন আরেকজন নারীর সংসার নষ্ট করতে চাইছেন। সাগরের বিরুদ্ধে যা অভিযোগ সবই মিথ্যা। আমার স্বামীর টাকার দিকেই হয়তো তাদের নজর। সে জন্য এই মামলা। যদি কিছু টাকা হাতিয়ে নেয়া যায়।’

সাগর আইনের ছাত্রের বরাত দিয়ে সালমা বলেন, আমার স্বামী নিজে আইনের ছাত্র। সে ভালো করেই জানে এইসব বিষয়ে কী করা উচিত। এটা তো ফেক মামলা।

এদিকে মামলার বিবরণীতে অভিযোগ করা হ‌য়ে‌ছে, বিয়ের পর থেকে নানাভাবে যৌতুকের জন্য চাপ দিতে থাকেন সাগর। শারীরিকভাবে নির্যাতন করতে থাকেন স্ত্রীকে। মেয়ের কথা চিন্তা করে সাগরকে তিন কিস্তিতে ১০ লাখ টাকা দেন শ্বশুর-শাশুড়ি। সেই টাকায় সানাউল্লাহ নূর সাগর যুক্তরাজ্যে ‘বার অ্যাট ল’ পড়তে যান। কিন্তু সেখানে গিয়েই তার স্বভাব পালটে যায়।
বিয়ে প্রসঙ্গে সালমা বলেন, ‘সাগর সম্পর্কে জেনেশুনেই বিয়ে করেছি আমি। তার আগে একটা সংসার ছিল সেটা আমি জানি। এক বছর আগেই ওই মহিলাকে ডিভোর্স দিয়েছে সাগর। যার সঙ্গে ডিভোর্স হয়ে গেছে তাকে কীভাবে স্বামী বলে দাবি করেন তিনি? তাদের ডিভোর্স তো হয়ে গেছে।’‘ডিভোর্সের এক বছর পর মনে হলো নির্যাতনের কথা, মামলার কথা? এখানে অন্য উদ্দেশ্য আছে। সাগরের বর্তমান স্ত্রী আমি একজন পরিচিতি মানুষ। এখন সাগরকে নিয়ে কথা বললে আলোচনায় আসা যাবে। মিডিয়ার কভারেজ পাওয়া যাবে। একজন তারকার বিয়ে-সংসার নিয়ে মুখরোচক কিছু তথ্য পাওয়া গেলে সেটা লুফে নেয় সবাই। আমার ইমেজে আঘাত করে ওই নারী ও তার পরিবার পরিকল্পিত কোনো উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায় হয়তো।’‘তাই তারা আমার স্বামীর নামে এই হয়রানিমূলক মামলাটি দিয়েছে। আর মামলাটিও করেছে যখন সাগর আর আমার বিয়ের কথা পাকা হলো। ডিভোর্সের আগে নারী নির্যাতনের মামলা কোথায় ছিল?’

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে ক্লোজআপ ওয়ান প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সঙ্গীত অঙ্গনে পা রাখেন সালমা। ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি সালমা ও শিবলী সাদিক বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। স্নেহা নামে তাদের ঘরে সাত বছরের কন্যা সন্তান রয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email