তানিয়ার লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের নিকট হস্তান্তর

নিজস্ব জেলা প্রতিবেদক : কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতালের মর্গে গতকাল মঙ্গলবার বিকালে নার্স শাহিনূর আক্তার তানিয়ার (২৪) লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। এরপর তার লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি মেডিক্যাল বোর্ড তানিয়ার ময়নাতদন্ত সম্পাদন করে। মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যদের উদ্ধৃতি দিয়ে কিশোরগঞ্জ আধুনিক হাসপাতালের পরিচালক ডা. রমজান মাহমুদ জানান, ময়নাতদন্তে ধর্ষণ ও আঘাতজনিত কারণে তার মৃত্যুর আলামত পাওয়া গেছে। ডিএনএ ও প্যাথোলজিক্যাল টেস্টের জন্য আলামত সংগ্রহে রাখা হয়েছে।

সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে মর্গ থেকে তানিয়ার লাশ গ্রহণ করেন তার বড় ভাই বাদল মিয়া। এর আগে লাশের সুরতহাল করেন কটিয়াদী মডেল থানার এসআই পার্থ শেখর ঘোষ। সুরতহাল রিপোর্টে তার গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন থাকার কথা উল্লেখ করা হয়। তাছাড়াও তার গোপনাঙ্গে রক্তের দাগ এবং গোপনাঙ্গের কাছে সালোয়ার ভেজা অবস্থায় পাওয়া যায় বলে সুরতহাল প্রতিবেদনে বলা হয়।

উল্লেখ্য, গত সোমবার রাতে তানিয়া ঢাকা থেকে বাসে বাজিতপুর উপজেলার পিরিজপুর যাচ্ছিলেন। পথে একই উপজেলার গজারিয়া-জামতলী নামক স্থানে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।

তানিয়া কটিয়াদী উপজেলার বাহেরচর গ্রামের মো. গিয়াসউদ্দিনের কন্যা। তিনি ঢাকার ইবনে সিনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। প্রথম রোজা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে করার জন্য তিনি বাড়ি যাচ্ছিলেন বলে পারিবারিক সূত্র জানায়।

Print Friendly, PDF & Email