সংসদ নির্বাচনে মোটরসাইকেলে নিষেধাজ্ঞাকে কীভাবে দেখছেন সাংবাদিকরা?

নিজস্ব ডেস্ক : ঢাকার একটি অনলাইন সংবাদ মাধ্যমের ফটোসাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান আগে কয়েকটি জাতীয় নির্বাচন কাভার করেছেন, ছবি তুলেছেন। কিন্তু এবার তিনি বুঝতে পারছেন না, কতটা ভালোভাবে নির্বাচনটি তিনি কাভার করতে পারবেন।

তিনি বলছেন, ”একজন ফটোসাংবাদিক হিসাবে আমাদের অনেক স্থানে দ্রুত যেতে হয়, ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে ছবি তুলতে হয়। মোটরসাইকেল নিয়ে যত সহজে, ছোটখাট অলিগলিতে যেতে পারি, গাড়ি নিয়ে সেটা কখনোই সম্ভব না।”

“হয়তো আমি যেতে যেতেই ঘটনা শেষ হয়ে যাবে। তাই ফটোসাংবাদিকদের ক্ষেত্রে মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে না পারলে কাজে খুব সমস্যা হবে।”

তার মতো চিন্তায় পড়েছেন বাংলাদেশের আরো অনেক সাংবাদিক ও সাধারণ মোটরসাইকেল ব্যবহারকারী।

কারণ বাংলাদেশে নির্বাচনের সময় টানা তিনদিন মোটরসাইকেল ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচন কমিশন এক ঘোষণায় জানিয়েছে, ৩০শে ডিসেম্বর মধ্যরাত থেকে শুরু করে দিবাগত মধ্যরাত পর্যন্ত বেবি ট্যাক্সি বা অটোরিকশা, ট্যাক্সি ক্যাব, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক, টেম্পো, ইজিবাইক বা স্থানীয় পর্যায়ের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

তবে মোটরসাইকেলের ওপর খড়গ পড়ছে আরো বেশি। নির্বাচনের আগে পরে, অর্থাৎ ২৮শে ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখ মধ্যরাত ১২টা থেকে ১লা জানুয়ারি ২০১৯ পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ থাকছে। এমনকী সাংবাদিকরাও বিশেষ কোনো ছাড় পাবেন না।

যদিও প্রার্থী বা তাদের এজেন্ট, সাংবাদিক, পর্যবেক্ষকদের মতো পেশাদারি কাজে অন্য যানবাহনের জন্য বিশেষ স্টিকার দেয়া হবে কমিশনের পক্ষ থেকে, কিন্তু মোটারসাইকেল এই স্টিকার পাবে না।

Print Friendly, PDF & Email