সাকিবের দখলে গেল আরেকটি রেকর্ড

নিজস্ব ডেস্ক প্রতিবেদক : তাঁর অপেক্ষা ছিল মাত্র ৫ রানের। এমন রেকর্ড তাঁকে ডাকছিল, যেখানে বাংলাদেশের হয়ে শুধু তামিম ইকবালই করে দেখিয়েছেন। সেই তামিমই আউট হওয়ার পর মাঠে নেমেছেন। তামিমের রেকর্ডে ভাগ বসাতে খুব বেশি সময়ও নিলেন না। ফিকোয়াওর বলে থার্ডম্যান অঞ্চলে বল ঠেলে এক রান নিলেন। আর সে সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এগারো হাজার রান হয়ে গেল সাকিব আল হাসানের।

২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেক। এর পর থেকেই একের পর এক রেকর্ড করে চলেছেন সাকিব। এই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নতুন এক মাইলফলক ছুঁলেন এই অলরাউন্ডার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাকিব এখন এগারো হাজার রানের মালিক। টেস্টে ৩৮০৭, ওয়ানডেতে ৫৭৯২, এবং টি-টোয়েন্টিতে ১৪৭১ রান করেছেন বিশ্বের এই এক নম্বর এই অলরাউন্ডার।

এখানেই শেষ নয়, আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সাকিব তুলেছেন নিজের ৪২তম অর্ধশতকও। ইমরান তাহিরের বলে ৮৪ বলে ৭৫ রান করে ফিরে গেছেন সাকিব। তবে ৮ চার ও এক ছক্কার ইনিংসেই অনন্য এক রেকর্ড হয়েছে সাকিবের। ২০০৭ থেকে প্রত্যেক বিশ্বকাপেই বাংলাদেশের উদ্বোধনী ম্যাচে অর্ধশতক তোলার রেকর্ড গড়লেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। টানা চার বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে ফিফটির কীর্তির অনন্য এক রেকর্ডের মালিক এখন সাকিব।

সাকিবের সামনে এখন আরও একটি রেকর্ডের হাতছানি। আজ বোলিংয়ে একটি উইকেট পেলেই ওয়ানডেতে ৫০০০ রানের পাশাপাশি ২৫০ উইকেট পাওয়ার রেকর্ড। যা তাঁর আগে মাত্র চারজন করতে পেরেছে। কাঙ্ক্ষিত উইকেটটি পেয়ে গেলে বাকি চারজনকেও পেছনে ফেলে দেবেন সাকিব।

মাত্র ১৯৭ ম্যাচ খেলেই ৫ হাজার ৭৭৪ রান ও ২৪৯ উইকেটের মালিক হয়ে গেছেন সাকিব। এর আগে যে চারজন ক্রিকেটার এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন, তাঁদের কেউই ২০০ ম্যাচের আগে সেটি ছুঁতে পারেননি। দ্রুততম হিসেবে ২৫৮ ম্যাচে এই ‘ডাবল’ অর্জন করেছিলেন পাকিস্তানের আবদুল রাজ্জাক। আফ্রিদি করেছিলেন ২৭৩ ম্যাচে, ক্যালিস ২৯৬ ম্যাচে ও জয়াসুরিয়া করেছিলেন ৩০৪ ম্যাচে। চারজনকে পেছনে ফেলে সবচেয়ে কম ম্যাচে বিরল এই ‘ডাবল’ অর্জন করা তাই সাকিবের জন্য এখন সময়ের ব্যাপার।

Print Friendly, PDF & Email