
এর আগে দশ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় গুলশান থানায় দায়ের হওয়া মানি লন্ডারিং মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেন। এরপরে মানি লন্ডারিং মামলায় তার ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন সিআইডি পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু সাঈদ। অপরদিকে অস্ত্র আইনে করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন র্যাব-১’ এর উপ পরিদর্শক শেখর চন্দ্র মল্লিক।
জি কে শামীমের পক্ষে এডভোকেট আবদুর রহমান হাওলাদার ও এডভোকেট আসাদুজ্জামান রিমান্ডের বিরোধিতা করে তাদের মক্কেলের জামিন প্রার্থনা করেন। আদালত উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনে জামিনের আবেদন না-মঞ্জুর করে রিমান্ড মঞ্জুরের আদেশ প্রদান করেন। এদিকে মঙ্গলবার যুবলীগ নেতা জি কে শামীমের সাত দেহরক্ষীর ফের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।
উল্লেখ্য, শুক্রবার রাজধানীর নিকেতনের ১১৩ নম্বর বাসা থেকে যুবলীগ নেতা জিকে শামীমকে আটক করা হয়। এরপর একই এলাকায় অবস্থিত তার মালিকানাধীন জিকে বিল্ডার্সের অফিসে (১৪৪ নম্বর) অভিযান চালিয়ে ১৬৫ কোটি টাকার স্থায়ী আমানতের (এফডিআর) কাগজ ও নগদ ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা জব্দ করে র্যাব। এছাড়া তার কাছে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র, দেহরক্ষীদের ৭টি শটগান-গুলি এবং কয়েক বোতল বিদেশি মদ জব্দ করা হয়।
