
উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চেষ্টা (২২ শে আগস্ট) ব্যর্থ হওয়ার পরদিন যুবলীগের এক কর্মী, যিনি দু’বছর আগে রোহিঙ্গা ঢলের সময় মানবিক কারণে বাস্তুচ্যুতদের কেবল সহায়তাই করেননি, নিজের খাবার এবং বসস্থান ছেড়ে দিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচিত হয়েছিলেন তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে কতিপয় রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলার অন্যতম দু’জন আসামি যাদের বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ নানা অপরাধে যুক্ত থাকার অভিযোগ আগে থেকেই রয়েছে, তারা শনিবার রাতে পুলিশের সঙ্গে ‘কথিত’ বন্ধুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে টেকনাফের ক্যাম্প এলাকায় প্রতিবাদ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। বড় ধরণের সহিংসতার আশঙ্কায় গোটা এলাকায় আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সরব উপস্থিতি এবং স্থানীয় প্রশাসনের সতর্ক নজরদারী রয়েছে।
