
ভিডিওতে দেখা যায়, রাজস্থানের উদয়পুরে কর্মরত ধনপত নামে এক পুলিশ কর্মকর্তা এবং তাঁর হবু স্ত্রী কিরণকে। এটি মূলত প্রি-ওয়েডিং শুট ছিলো। তাতে দেখা গিয়েছে, বাগদত্তা কিরণ হেলমেট ছাড়া স্কুটি চালাচ্ছিলেন। তাঁকে আটকাচ্ছেন ধনপত। কিরণ তখন ধনপতের পকেটে কিছু টাকা গুঁজে দিয়ে চলে যান।
তবে ধনপত পরে বুঝতে পারেন যে, টাকা দেয়ার নাম করে কিরণ তাঁর পকেট থেকে মানিব্যাগটি নিয়ে গিয়েছে। মানিব্যাগটি ফেরত নিতে ফের কিরণের সঙ্গে দেখা হয় পুলিশ কর্মকর্তার। আর সেই সাক্ষাতেই দু’জনের মন দেওয়া-নেওয়া।
প্রি-ওয়েডিং শুটের ভিডিওটি আপলোড করা হয় ইউটিউবে। তা ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভিডিওটি চিতোরগড়ে কর্মরত এক পুলিশ কর্মকর্তার চোখে পড়ে। নজরে আসে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষেরও।
ভিডিওর পরিপ্রেক্ষিতে রেঞ্জ ইনস্পেক্টরদের উদ্দেশ্যে নোটিস জারি করেন আইজি হাওয়া সিং ঘোমারিয়া। পুলিশের উর্দি গায়ে ঘুষ নেওয়া অবমাননাকর বলেই দাবি কর্তৃপক্ষের। প্রি-ওয়েডিং শুটে কোনওভাবেই পুলিশের উর্দি ব্যবহার করা যাবে না বলেই নোটিসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়। চাপের মুখে পড়ে ওই ভিডিওটি ইউটিউব থেকে সরিয়ে ফেলেছেন তিনি।
