
সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া শারীরিক অবস্থার এমন কোনো অবনতি হয়নি যে তাঁকে বিদেশ পাঠাতে হবে। মেডিকেল বোর্ডে খালেদা জিয়ার পছন্দের ডাক্তার রয়েছেন। সেই মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা বলছেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ভালো এবং তিনি সুচিকিৎসা পাচ্ছেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন যদি সুস্থ-সুন্দর না হতো, মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি কেন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে? বর্তমান সংসদকে যদি অবৈধ বলা হয়, সংসদে যোগ দেওয়া বিএনপির সাত সাংসদও অবৈধ। তিনি আরও বলেন, বিএনপি আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে নেতা-কর্মীদের চাঙা রাখতে গলাবাজি করছে। বিএনপি বারবার আন্দোলনের ডাক দেওয়ার পরও জনগণ সাড়া না দেওয়ায় আন্দোলনে ব্যর্থ, নেতৃত্বে ব্যর্থ হয়ে তারা এখন নালিশ করছে মানুষের কাছে। এটি বিএনপির একটি রোগে পরিণত হয়েছে—নালিশ করা।
মন্ত্রী বলেন, সারা দেশে তৃণমূল পর্যায়ে শুদ্ধি অভিযান চলছে। এরই মধ্যে জেলা পর্যায়ে ও তৃণমূল পর্যায়ে ভূমিদস্যু, মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সম্মেলনে এসব ভূমিদস্যু, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজরা যেন স্থান না পায়, সে জন্য তৃণমূলের নেতাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, নতুন সড়ক পরিবহন আইন পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে দুর্ঘটনা কমাসহ সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে সড়ক পরিবহন আইন ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর করা হয়েছে। তিনি বলেন, সড়ক পরিবহন আইন কার্যকর করার জন্য সারা বাংলাদেশে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। আগামী সাত দিন এই সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হবে। এ সময় কোনো পরিবহনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের না করার জন্য তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়িত হলে ক্রমান্বয়ে সড়ক দুর্ঘটনা কমে আসবে এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।’
এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএর চেয়ারম্যান আহসানুল করিম, হাইওয়ে পুলিশের পুলিশের অতিরিক্ত আইজি মাহবুবুর রহমান, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, পুলিশ সুপার হারুন-অর-রশিদসহ বিআরটিএর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
