প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে তিস্তা ও সোনাদিয়া প্রকল্প চূড়ান্ত করার আহ্বান

নয়াবার্তা প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে কেন্দ্র করে নিজেদের প্রত্যাশার কথা জানিয়েছে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ। দলটির পক্ষ থেকে এই সফরকে বাংলাদেশের স্থবির অর্থনীতি সচল করা এবং একটি স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি গড়ার সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে চীনের অর্থায়নে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের বিষয়ে এই সফরেই চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

শনিবার এক যৌথ বিবৃতিতে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান ও সদস্য সচিব ডা. নাবিল আহমদ এসব কথা বলেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রীর এই প্রথম বিদেশ সফর জাতীয় নিরাপত্তা সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, চারদলীয় জোট সরকারের পরবর্তী সময় থেকে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কৌশলগত মৈত্রীর যে স্থবিরতা তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে ওঠার সময় এসেছে। তাদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর উচিত হবে যে কোনো ধরনের তৃতীয় পক্ষীয় চাপ উপেক্ষা করে চীনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা। বিশেষ করে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়টি এই সফরেই চূড়ান্ত করা প্রয়োজন।

এ ছাড়া চীনের বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ (জিডিআই), বৈশ্বিক নিরাপত্তা উদ্যোগ (জিএসআই), বৈশ্বিক সভ্যতা উদ্যোগ (জিসিআই) এবং বৈশ্বিক শাসন উদ্যোগে (জিজিআই) বাংলাদেশের যোগদানের ঘোষণা এই সফর থেকে আসা উচিত বলে মনে করে দলটি। একই সঙ্গে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (বিআরআই) আওতায় কক্সবাজারের সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের কাজ চূড়ান্ত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের নেতারা মনে করেন, এই উদ্যোগগুলোতে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার বিস্তার এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে সহায়ক হবে। এর মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত ও পাকিস্তানের পাশে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুসংহত হবে বলে তারা বিবৃতিতে উল্লেখ করেন। তারা প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের সাফল্য কামনা করেন এবং এটি দুই দেশের মৈত্রীর ক্ষেত্রে নতুন মাইলফলক হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

Share