
এনবিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকা কাস্টম হাউজে নিজস্ব কোনো রাসায়নিক পরীক্ষাগার নেই। এ কাস্টম হাউজ দিয়ে আমদানিকৃত ফলে রাসায়নিক আছে কি না সেটা পরীক্ষা করা হয় কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্ভিদ সংগনিরোধ অফিস থেকে। এছাড়া ঢাকায় একটি কাস্টমস ল্যাবরেটরি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) এতে সহযোগিতা দিচ্ছে। এ বিষয়ে একটি উন্নয়ন প্রকল্প পরিকল্পনার (ডিপিপি) কাজ চলমান রয়েছে।
শুল্ক স্টেশনে রাসায়নিক পরীক্ষা হয় ফরমালিন টেস্টার দ্বারা : দেশের ১৪টি শুল্ক স্টেশনের মধ্যে ভোমরা, বুড়িমারি, হিলি বাংলাবান্ধা, সোনামসজিদ, তামাবিল, বিবিরবাজার ও টেকনাফের মাধ্যমে ফল আমদানি হয়ে থাকে। স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ের স্যানিটারি ইন্সপেকটর ফরমালিন টেস্টার দ্রবণ দ্বারা ঐ আমদানিকৃত ফলে কেমিক্যাল রয়েছে কি না তা পরীক্ষা করে ফরমালিনমুক্ততা নিশ্চিতের পরই তা খালাসের অনুমতি প্রদান করা হয়। এছাড়া সোনামসজিদ, তামাবিল, বিবিরবাজারসহ সাতটি শুল্ক স্টেশনের জন্য রাসায়নিক পরীক্ষাগারসহ সামগ্রিক অবকাঠামো নির্মাণের জন্য এডিবির সহযোগিতায় ডিপিপি প্রণয়নের কাজ চলছে।
এদিকে প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর শুল্ক স্টেশন পরীক্ষাগার স্থাপনের অগ্রগতি জানাতে এনবিআরকে দুই সপ্তাহ সময় দিয়েছে হাইকোর্ট। ডিএজি আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার বলেন, আমাদের কিছু সময় দরকার ছিল। আদালত দুই সপ্তাহের মধ্যে পরবর্তী অগ্রগতির বিষয়ে জানাতে বলেছে।
প্রসঙ্গত হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের করা এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে আমদানিকৃত ফলমূলে ক্ষতিকর কেমিক্যাল রয়েছে কি না তা নিশ্চিতে সব বন্দরে কেমিক্যাল টেস্টিং ইউনিট বসাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে এনবিআরকে নির্দেশ দেওয়া হয়। ২০১২ সালে দেওয়া ঐ রায়ের অগ্রগতি বিষয়ে প্রতিবেদন দিয়ে হাইকোর্টকে গতকাল অবহিত করে এনবিআর।
