
র্যাব জানিয়েছে এনামুল টাকা রাখার জন্য নিজ বাসায় একাধিক ভল্ট বানিয়েছেন। কিন্তু তাতেও টাকার সংকুলান হতো না। তাই তিনি টাকা দিয়ে কিনতেন স্বর্ণ। আর সেই স্বর্ণ রাখতেন ভল্টে। র্যাব এনামুলের বানিয়া নগরের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সেই ভল্ট থেকেই উদ্ধার করেছে এসব স্বর্ণ ও নগদ অর্থ। আজ দুপুরে অভিযান শেষে র্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সফিউল্লাহ বুলবুল সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। তিনি জানান, সূত্রাপুরের বানিয়া নগরে এনামুলের ছয়তলায় বাসার দোতলা ও পাঁচতলায় তিনটি ভল্ট পেয়েছেন। লেফটেন্যান্ট কর্নেল সফিউল্লাহ জানান, একজন ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে ভল্ট খোলা হয়। সেখান থেকে তারা ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ও ৭২০ ভরি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করেছেন। এ ছাড়া এনামুলের বাসা থেকে পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। র্যাব আরও জানায়, এনামুলের কর্মচারী আবুল কালাম আজাদের নারিন্দার বাসায় রাখা ভল্ট থেকে ২ কোটি ৫ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। ক্যাসিনো ও অবৈধ জুয়ার বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান চালিয়েছে বলে জানায় র্যাব। অপরদিকে এনামুলের বন্ধু হারুন সরদারের বাসায় অভিযান চালিয়ে আরো ২ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়। দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শফিউল্লাহ বুলবুল বলেন, আমাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য ছিল, কয়েকদিন আগে এখানকার ইংলিশ রোডে ৫টি ভল্ট বানানোর অর্ডার দেন এনামুল হক ও রুপন ভূঁইয়া। সেই সূত্রে জানতে পারি তাদের বাসায় তিনটি ভল্ট রয়েছে। বাকি দুটি বাসায় অভিযান চালিয়ে দুটি ভল্টের সন্ধান পাওয়া যায়। তিনি বলেন, এ পর্যন্ত আমরা প্রায় ৫ কোটি ৫ লাখ টাকা উদ্ধার করেছি। এসব টাকা আমরা আবারো মেশিনের মাধ্যমে গোনে পরিমান নিশ্চিত হবো। মূলত ক্যাসিনো সংশ্লিষ্টতার খবর নিশ্চিত হয়েই অভিযান চালানো হয়েছে বলে তিনি জানান।
