
তিনি বলেন, ‘অনেক সময় দেখা যায়, বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য মানুষের জমি অধিগ্রহণ করতে হয়। তারা যেন সময় মতো জমির যথাযথ মূল্য পায়, তাদের যেন ভোগান্তি না হয়’।
মহেশখালী-মাতারবাড়ি সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম প্রকল্পের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘একটা সময় কক্সবাজারে কিছুই ছিল না। পুরো কক্সবাজারে লবণ ও পান চাষ হতো। কক্সবাজারকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। কক্সবাজারের জনগণের মতামত নিয়েই এই উন্নয়ন কাজ চলছে। কক্সবাজারের মহেশখালীর বড় অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার। জাপানের সহায়তায় মাতারবাড়িতে ১২শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ প্রকল্প এ পরিকল্পনার অংশ। মহেশখালী-মাতারবাড়ি সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম হলে শুধু ওই অঞ্চলেরই নয়, পুরো বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে’।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট জাপানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
