
ওএসডি করার মাত্র একদিন পর আগের আদেশটি বাতিল করে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ জারি করা হইয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চারজনের সাময়িক বরখাস্তের আদেশে প্রত্যেকের নাম ও পদবি উল্লেখ করে বলা হয়, ‘আপনি নড়াইল সদর হাসপাতালে প্রায়শই কর্মস্থলে বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকেন বলে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে, যা সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ২ (খ) মোতাবেক অসদাচরণের শামিল। আপনাকে নড়াইল সদর হাসপাতালে কর্মরত রাখা হলে অফিস শৃঙ্খলা ভঙ্গ হতে পারে ও অফিসের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। এজন্য আপনাকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ১২ (১) মোতাবেক সাময়িক বরখাস্ত করা হলো’।
এর আগে গত বুধবার নড়াইলের সংসদ সদস্য ও জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা নড়াইল সদর হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে এই চিকিৎসকদের কর্মস্থলে পাওয়া না গেলে রবিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চার চিকিৎসককে সেখান থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এ সময় তাদের ওএসডি করে স্বাস্থ্য অধিদফতরে সংযুক্ত করে আদেশ জারি করা হয়। হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে চিকিৎসকদের না পেয়ে মাশরাফি নিজেই হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক এবং একজন চিকিৎসকের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। এ সময়কার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং দেশের বেশ কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদও প্রকাশ করা হয়।
