
এক সম্পুরুক আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি মোহাম্মদউল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন।
হিউম্যান রাইটস এন্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ হাইকোর্টে রিট করেন। ২০১১ সালে ওই রিটের রায়ে হাইকোর্ট বুড়িগঙ্গার পানি দূষণরোধে ওই নদীর সঙ্গে সংযুক্ত সব স্যুয়ারেজ লাইন ও শিল্পকারখানার বর্জ্য নি:সরনের লাইন এক বছরের মধ্যে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রতি মাসে নদীতে বর্জ্য ফেলা রোধে নদীর দুই ধারে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান করতে বলা হয়। কিন্তু রায়ের এসব নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করায় বুড়িগঙ্গার পানি দূষিত হয়ে পড়ছে উল্লেখ করে হাইকোর্টে একটি আবেদন করা হয়। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট উপরোক্ত আদেশ দেয়। একই সঙ্গে আগামী ২০ মে এ বিষয়ে পরবর্তী আদেশের জন্য দিন ধার্য রাখে আদালত।
