ঐতিহ্যবাহী কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র সংরক্ষণে উদ্যোগ নেওয়া হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নয়াবার্তা প্রতিবেদক : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র একটা ঐতিহ্যবাহী স্থান। এখান থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র সংরক্ষণ করতে একটা প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, আমাকে জানানো হয়েছে, বন্যা হলে এখানে পানি ওঠে। এই ঐতিহাসিক বেতার কেন্দ্রকে সুন্দরভাবে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমরা উদ্যোগ নেব। মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের সাথে আমরা এ বিষয়ে আলোচনা করব।

আজ শনিবার সকালে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তথ্য প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এসময় চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মো. এরশাদ উল্লাহ এবং কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া খবর ও অপতথ্য প্রতিরোধে সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘নিউ মিডিয়ার মাধ্যমে ভুল তথ্য, অপতথ্য এবং ভুয়া তথ্য প্রচার হচ্ছে। সাইবার সুরক্ষা আইনের মাধ্যমে অপতথ্য এবং মিথ্যা তথ্য প্রচার বন্ধ করার জন্য আমরা বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছি। অনলাইন মিডিয়ায় যারা বিভিন্ন রিলস বানায়, তাদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রশিক্ষিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা বিভিন্ন রকম পরিকল্পনা নিয়েছি। নিউ মিডিয়া প্রজেক্টের মাধ্যমে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছি। আমরা বিভিন্ন তথ্যচিত্র নির্মাণ করছি, সেগুলো প্রচারণার মাধ্যমে মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হবে। যাতে অপতথ্য ও মিথ্যা তথ্য থেকে মানুষ বিরত থাকতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভুয়া তথ্য ও অপতথ্য যাচাইয়ের জন্য আমরা বিভিন্ন টুলস ডেভেলপ করার চেষ্টা করছি, যেগুলোর মাধ্যমে আমরা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিংস করে জনগণকে অবহিত করতে পারব।

পিছিয়ে থাকা রেডিও ও সম্প্রচার মাধ্যমকে কীভাবে আরো সক্রিয় করা যায়- এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বেতারের এফএম’কে আরেকটু শক্তিশালী করার জন্য আমরা উদ্যোগ নিয়েছি। এজন্য আমরা একটা প্রজেক্ট হাতে নিয়েছি। গতকাল আমি চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্রের কর্মকর্তার সাথে কথা বলেছি। তারা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। আমরা সেগুলো গ্রহণ করেছি এবং কীভাবে তা বাস্তবায়ন করা যায়, এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিটিভিকে আরও আধুনিায়ন করার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিটিভিতে ফরেনসিক অডিট করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে অডিট শুরু হবে। অডিট রিপোর্টের মাধ্যমে আমরা বিটিভি’র ডিজিটালাইজেশন থেকে শুরু করে প্রোগ্রামগুলোকে আরো কীভাবে সুন্দর করা যায়, সেই উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘নতুন কুঁড়ি’ বিটিভির একটা সিগনেচার প্রোগ্রাম। আমরা নতুন কুঁড়িকে আরো আধুনিকায়ন করার উদ্যোগ নিয়েছি। এই ধরনের প্রোগ্রামগুলো যদি বিটিভি’তে আমরা বেশি বেশি করতে পারি, তাহলে আশা করি দর্শকরা বিটিভি দেখার জন্য আরো আগ্রহী হবে।

Share