
নয়াবার্তা প্রতিবেদক : বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যকার যেকোনো সমস্যা সমাধানে সংলাপ এবং গঠনমূলক আলোচনার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমার পূর্ণ আস্থা আছে, দুই দেশ একসঙ্গে বসলে এমন কোনো সমস্যা নেই যা সমাধান করা যায় না।’ আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত সমাধান খুঁজে বের করা যা ভারত ও বাংলাদেশ উভয়ের জন্য লাভজনক হয়।
আজ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে তার কার্যালয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তার সাম্প্রতিক বৈঠক সম্পর্কে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাইকমিশনার বলেন, বৈঠকটি অত্যন্ত ইতিবাচক হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী একজন বিনয়ী নেতা। তিনি জনগণের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত থাকেন।
ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে শুধু একটি অভিন্ন সীমান্তই নয়, আরো অনেক কিছু রয়েছে।
দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী ঐতিহাসিক, ভৌগোলিক এবং জনগণের মধ্যকার সম্পর্কের ওপর আলোকপাত করে তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু সীমান্তই ভাগ করি না, আমরা স্বপ্নও ভাগ করি।’
হাই কমিশনার বলেন, দুটি প্রতিবেশী দেশের মধ্যে মতপার্থক্য ও সমস্যা থাকাটা স্বাভাবিক। এই ধরনের মতপার্থক্যকে কূটনীতি বা সম্পর্কের ব্যর্থতা হিসেবে দেখা উচিত নয়, বরং খোলামেলা ও গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে এর সমাধান করা যেতে পারে।
ত্রিবেদী দুই দেশের জনগণের মধ্যে শক্তিশালী বন্ধনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, উভয় পক্ষের সাধারণ নাগরিকরা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে বন্ধুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক দেখতে চান।
নিজের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে হাই কমিশনার বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে পাওয়া ‘ভালোবাসা, সম্মান ও স্নেহের’ জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন অব্যাহত সংলাপ, সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের মাধ্যমে দুই দেশ তাদের অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।
