
নয়াবার্তা প্রতিবেদক : রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় চাঁদাবাজি ও দখলবাজির বিরুদ্ধে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতিকালে এক বড় ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলের এই হামলায় জামায়াতের ১৫ থেকে ২০ জন নেতাকর্মী ও সমর্থক আহত হয়েছেন বলে দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
আহতদের উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। হামলার এই ঘটনার জন্য বিএনপি ও যুবদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের দায়ী করেছে জামায়াত।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের প্রচার সম্পাদক আব্দুস সাত্তার সুমন জানিয়েছেন, হামলায় ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত তিন জামায়াত কর্মীর অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক। তিনি বলেন, “বিএনপির স্থানীয় কিছু লোক দীর্ঘদিন ধরে গুলিস্তান এলাকায় চাঁদাবাজি ও দখলবাজি চালিয়ে আসছিল। কিছুদিন আগে তারা একটি মার্কেট তালাবদ্ধ করে নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করলে সাধারণ ব্যবসায়ীদের অনুরোধে জামায়াত নেতারা তাঁদের পাশে দাঁড়ান। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বিকেলে ফুলবাড়িয়ায় চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিলে এই অতর্কিত হামলা চালানো হয়।”
আব্দুস সাত্তার সুমন আরও অভিযোগ করেন, এই হামলায় যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রনজু, মামুন কমিশনার, ৩৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সেক্রেটারি ডালিম, মনা ছাড়াও আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা হানিফ, মালেক ও জুয়েলসহ শতাধিক লোক অস্ত্র, ছুরি, হকিস্টিক ও লাঠিসোটা নিয়ে অংশ নেন।
এদিকে ঘটনার পর অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বংশাল থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) সৈকত হোসেন জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে এ ঘটনার পর এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
