নদীর তীর রক্ষা বাঁধ দৃশ্যমান হওয়ায় লক্ষ্মীপুরে লাখো মানুষের মাঝে স্বস্তি

নয়াবার্তা প্রতিবেদক : লক্ষ্মীপুরে ৩ হাজার ১শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩১ কিলোমিটার নদীর তীর রক্ষা বাঁধের কাজ দৃশ্যমান হওয়ায় দুই উপজেলার লাখো মানুষের মাঝে ফিরেছে স্বস্তি। ইতোমধ্যে প্রকল্পের জায়গায় ভাঙ্গন প্রতিরোধ ব্যবস্থা হওয়ায় বসতবাড়ি ও ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে আশার আলো জোগাচ্ছে নদী পাড়ের বাসিন্দাদের। এতে দুই উপজেলার বাসিন্দারা খুব খুশি। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলেছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এই অঞ্চলের মানুষের জীবন যাত্রার মান পাল্টে যাবে। ঘুরে যাবে অর্থনীতির গতি। ইতোমধ্যে ৭০ ভাগ বাঁধের কাজ শেষ হয়েছে। পুরোপুরি শেষ হতে বছরখানেক সময় লাগবে। পুরোদমে কাজ এগিয়ে চলছে।

কমলনগর উপজেলার নবীগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা নুরনবী ও মাহমুদ হোসেন জানান, গত চার যুগ ধরে ভাঙ্গনের শিকার হচ্ছি। তিনবার বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছি। এখন বাঁধ হওয়ায় অনেক স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছি। দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের পর বাঁধের কাজ দৃশ্যমান হচ্ছে। ভাঙ্গনের কারণে সব সময় আতঙ্কে দিন কাটাতে হয়েছে। তবে এখন বাঁধের কাজ হওয়ায় বসতভিটা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্কুল পড়ুয়া সন্তানদের নিয়ে আর হতাশায় থাকতে হবে না। এখন নদী পাড়ের সবার মাঝে আশার আলো জোগাচ্ছে। স্বপ্ন দেখছে নদীপাড়ের বাসিন্দারা। যেভাবে পুরোদমে কাজ চলছে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার আশা করছেন বাসিন্দারা।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাহিদ-উজ-জামান বলেছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এই অঞ্চলের মানুষের জীবন যাত্রার মান পাল্টে যাবে। তৈরি হবে নতুন সম্ভাবনা। ইতোমধ্যে ৭০ ভাগ বাঁধের কাজ শেষ হয়েছে। পুরোপুরি শেষ হতে বছরখানেক সময় লাগবে। পুরোদমে কাজ এগিয়ে চলছে। এ প্রকল্পের কাজ শেষ হলে পাল্টে যাবে পুরো চিত্র।

Share