
রংপুর প্রতিনিধি : রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, রংপুরে আলোচিত চার খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টে মাদকের অস্তিত্ব মেলেনি।
আজ ৩১ আগস্ট সোমবার বিকেলে ডিবি (গোয়েন্দা বিভাগ) অফিস কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপ-পুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী।
তিনিও আরও বলেন, গতকাল রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেলে কারাগারে থাকা দুজনের নমুনা সংগ্রহ করা হলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবরেটরি ডোপ টেস্টের রিপোর্টে তাদের শরীরে কোনো প্রকার মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। গ্রেপ্তারের ১০ দিন পর এই ডোব টেস্ট করানো হয়।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের টেকনোলজিস্ট মো. আশরাফ বলেন, ১০ দিন পর ডোপ টেস্ট করালে রিপোর্টে মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। সাধারণত এতদিন পর কারো শরীরে ডোপ টেস্টের নমুনা পাওয়া যায় না।
এর আগে শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নগরীর মাছুয়া পাড়ার তালাবদ্ধ বাসা থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) এবং ছেলে আয়ুস চক্রবর্তী প্রিয়মের (১২) মরদেহ উদ্ধার উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় রোববার (২৩ আগস্ট) ভোরে একই এলাকা থেকে মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাসকে (১৯) গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় সীমান্ত ও বিদ্যুৎ দাস নামে দুইজন সাক্ষীও আদালতের মাধ্যমে জবানবন্দি দেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ল্যাব রিপোর্টের কারণে আইনগত নথিতে মাদকের বিষয়টি প্রমাণিত না হলেও, আসামিরা ১৬৪ ধারা জবানবন্দিতে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। এ বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে।
